দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঈদুল আজহার ছুটিকে কেন্দ্র করে ধীরে ধীরে জমে উঠছে খাগড়াছড়ির পর্যটন কেন্দ্রগুলো। জেলার জনপ্রিয় স্থান আলুটিলা, জেলা পরিষদ হর্টিকালচার পার্ক ও রিছাং ঝর্ণায় ঈদের দিন তুলনামূলকভাবে কম ভিড় থাকলেও ঈদের পরদিন থেকে বাড়তে শুরু করেছে পর্যটকদের উপস্থিতি। তবে এখন পর্যন্ত স্থানীয় দর্শনার্থীরাই সংখ্যায় বেশি দেখা যাচ্ছে। পর্যটন সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ছুটির বাকি দিনগুলোতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আরও বেশি পর্যটকের আগমন ঘটবে।
ঘুরতে আসা পর্যটকদের অনেকেই খাগড়াছড়ির পাহাড়ি সৌন্দর্য, আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র ও রহস্যময় গুহা দেখে মুগ্ধতার কথা জানান। বিশেষ করে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি হওয়া গুহার ভেতর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার অভিজ্ঞতা তাদের কাছে ছিল ভিন্নরকম রোমাঞ্চকর। অনেক পর্যটকের ভাষ্য, বিদেশে না গিয়ে দেশের ভেতরেই এমন মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা সম্ভব।
এদিকে প্রত্যাশিত পর্যটক না আসায় কিছুটা হতাশ হোটেল ও রিসোর্ট ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, দীর্ঘ ছুটি হলেও এখনো আশানুরূপ বুকিং হয়নি। তবে সামনে পরিস্থিতি বদলাবে বলে আশাবাদী তারা।

হোটেল অরণ্য বিলাসের সহকারি ম্যানেজার রাজিব দে বলেন, ‘ঈদে ব্যাপক পর্যটক সমাগম হবে বলে আশা করেছিলাম। কিন্তু তা হয়নি। আশানুরুপ বুকিংও হয়নি। আমরা আশা করছি আগামী কয়ক দিন পর্যটকের উপস্থিতি বাড়বে।’
ঈদে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। প্রতিটি পর্যটন কেন্দ্রে পুলিশি নিরাপত্তার পাশাপাশি মোবাইল টিমও কাজ করছে। কোনো পর্যটক সমস্যায় পড়লে দ্রুত সহায়তার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে টুরিস্ট পুলিশ।
খাগড়াছড়ি টুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ পরিদর্শক নয়ন বড়ুয়া বলেন, ‘ঈদে পর্যটকদের আগমনকে মাথায় রেখে আমরা নিরাপত্তা জোরদার করেছি। আলুটিলা, জেলা পরিষদ পার্ক, রিসাং ঝরনাসহ সব পর্যটন স্পট আমরা নজরদারিতে রেখেছি।’
খাগড়াছড়ির উল্লেখযোগ্য পর্যটন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র, রহস্যময় গুহা, জেলা পরিষদ হর্টিকালচার পার্ক, ঝুলন্ত সেতু, নয়নাভিরাম লেক, মায়াবিনী লেক, হাতিমাথা পাহাড়, দেবতা পুকুর ও তৈদু ছড়া ঝর্ণা।
কেএম